বসত বাড়ির খাজনা কত

আমাদের সকল জমি জমার খাজনা পরিশোধ করতে হয়। কারণ এই খাজনা হলো সরকারের একটি বড় আয়ের উৎস। সরকারকে অনেক ব্যয় বহন করতে হয়। সেই সকল ব্যয়ের জন্য অনেক অর্থ প্রয়োজন হয়। সেই সকল ব্যাগগুলি সংকলন করার জন্য সরকারকে আয়ের পথও খুঁজতে হয়। তাই সরকারের আয়ের একটি বড় অংশ আছে ভূম ির খাজনা থেকে বা ভূমি উন্নয়ন কর থেকে।

প্রাচীনকালে রাজ রাজাদের আয়ের সবচাইতে বড় উৎস ছিল এই কৃষি সংক্রান্ত বিষয় থেকে বা কৃষিজমি থেকে। কারণ প্রাচীনকালে কোন ব্যক্তি কে সমৃদ্ধ মনে করা হতো যদি তার সবচাইতে বেশি ভূমি থাকে বা জমি জমা থাকে। তেমনি ভাবে যে দেশ বা যে দেশের জমি জমা বেশি বা কৃষি জমি বেশি ছিল তাদেরকে বাসে সকল দেশকে বেশি শক্তিশালী মনে করা হতো।

কিন্তু বর্তমানে যুগ পাল্টেছে এখন প্রযুক্তিগত দিক থেকে যে দেশ যত এগিয়ে তাদেরকে তত ক্ষমতাবান বলে মনে করা হয় বা সমৃদ্ধ বলে মনে করা হয়। তারপরেও পূর্বের সেই রেওয়াজ অনুযায়ী আমাদেরকে এখনো জমি জমার ভূমি উন্নয়ন কর বাবোদ খাজনা পরিষদ করতে হয়। তাহলে এখন আমরা দেখে নিব যে বসত বাড়ির খাজনা কত।

আপনারা যারা আমাদের এই ওয়েবসাইটে বা আমাদের এই পোস্টে এসেছেন বসতবাড়ির খাজনা কত এ বিষয়টি জানার জন্য তারা অবশ্যই ঠিক কাজ করেছেন বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ আজকে আপনাদের অবশ্যই আমাদের এখান থেকে বসতবাড়ির খাজনা কত সে বিষয়ে বিস্তারিত ভাবে জানিয়ে দেওয়া হবে। তবে আপনারা যারা আমাদের এই পোস্টে এসেছেন তাদের অবগতির জন্য জানিয়ে দেই যে আপনারা যদি জমিজমা সংক্রান্ত অন্যান্য বিষয়গুলি সম্পর্কেও জেনে নিতে চান তাহলে অবশ্যই আপনারা আমাদের ওয়েবসাইট টি ভিজিট করে নেবেন।

কারন আমাদের ওয়েবসাইটে জমিজমা সংক্রান্ত সকল বিষয় অত্যন্ত সাবলীল ভাষায় সুন্দর ভাষায় আপনাদের বোধগম্য করে রচনা করা হয়েছে। তাই আপনারা দেখা মাত্র সে সকল পোস্ট থেকে জমিজমা সংক্রান্ত বিষয়গুলি বুঝে নিতে পারবেন। তাই আর দেরি না করে আপনারা অবশ্যই আমাদের ওয়েবসাইটটিতে ভিজিট করে আমাদের সঙ্গে থাকতে পারেন।

তাহলে আজকে আমাদের জেনে নিতে হবে বসতবাড়ির খাজনা বিষয়ে। একথা সত্যি যে আমরা কেউই জমে জমা সংক্রান্ত সকল কর্মকান্ডই যেমন একটা বুঝি না বা বুঝতে পারিনা এবং বুঝতে চাইও না। কিন্তু আমাদের উচিত যে জমিজমা সংক্রান্ত সকল বিষয়গুলি বুঝে নেওয়া। কারণ জমিজমা বিষয়টি আমরা যেহেতু জটিল মনে করি তাই আমাদের এ বিষয়ে জ্ঞান রাখতে হবে। তাহলে চলুন দেখি বসতবাড়ির খাজনা কত। কোন জমি ভোগ দখলের সুবিধা গ্রহণের জন্য সরকারকে ভূমি মালিক কে প্রতি শতাংশ জমির জন্য বছর ভিত্তিক যে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা প্রদান করতে হয় তাকে মূলত ভূমি উন্নয়ন কর বলা হয়ে থাকে।

বাংলা ১৩৩৮ সনে স্বাধীনতা অর্জিত হলে আগের অনাদায়ী সকল খাজনা মওকুফ করে বাংলা ১৩৩৯ সন হতে খাজনা ধার্য করা হয়। বাংলা ১৩৮২ সন পর্যন্ত কোন পরিবারের 25 বিঘা পর্যন্ত বা এর উর্ধ্বে জমির খাজনা ও শিক্ষা কর ছিল। ২৫ বিঘার কম জমির জন্য শুধু শিক্ষা কর দিতে হতো জমির ভূমি উন্নয়ন কর তখন দিতে হতো না। বাংলা ১৩৮৩ সাল থেকে বাংলা ১৩৮৮ সাল পর্যন্ত ২৫ বিঘা পর্যন্ত বিঘা প্রতি এর জন্য ৯০ পয়সা এবং ২৫ বিঘের উর্ধ্বে প্রতি বিঘা ৫ টাকা হিসেবে খাজনা ছিল।

পরবর্তীতে বাংলা ১৩৮৯ সন থেকে বাংলা ১৩৯৩ সাল পর্যন্ত তুই একর জমির জন্য প্রথম দুই একরের জন্য ছয় টাকা এবং পরবর্তী প্রতি শতাংশর জন্য 15 পয়সা ভূমিকর নির্ধারণ করা হয়েছিল। ৫একর থেকে ১০ একর পর্যন্ত জমির জন্য প্রথম ৫ একর এর জন্য ৫১ টাকা এবং পরবর্তী প্রতি শতাংশের জন্য ৩৬ পয়সা নির্ধারণ করা হয়। ১০ একর থেকে ১৫ একর পর্যন্ত প্রথমের জন্য ২৩১ টাকা এবং পরবর্তী প্রতি শতাংশের জন্য ৭ পয়সা করে খাজনা নির্ধারণ করা হয়ে থাকে। এবং ১৫ একর থেকে ২৫ একর পর্যন্ত প্রথম 15 একরের জন্য ৫৩১ টাকা এবং পরবর্তী প্রতি শতাংশের জন্য ৬০ পয়সা করে নির্ধারণ করা হয়।