জমির খাজনা কত টাকা শতক ২০২৩

আমাদের যদি জমি জমা থেকে থাকে তাহলে সেই জমির অবশ্যই ভূমি উন্নয়ন কর আমাদের পরিষদ করতে হয়। কারণ সরকারের আয়ের একটি বড় অংশ এই ভূমি উন্নয়ন কর হতে প্রাপ্ত হয়। তবে আমরা জানি এই ভূমি উন্নয়ন কর বা জমির খাজনা সব জমির একই রকম নয়। শ্রেণী অনুযায়ী এই খাজনা বা ভূমি উন্নয়ন কর আলাদা আলাদা রয়েছে।

অর্থাৎ বাংলাদেশের সকল কৃষি জমির খাজনা বা ভূমি উন্নয়ন কর হল একরকম এবং অকিসি জমির খাজনা বাফের নামকর আলাদা আলাদা হয়ে থাকে। হবে কৃষি জমির মধ্যেও আলাদা আলাদা শ্রেণী রয়েছে। সেই সকল শ্রেণী অনুযায়ী ভূমি উন্নয়ন করবা খাস না আলাদা আলাদা রকমের হয়ে থাকে। আজকে আপনারা যারা আমাদের এই পোস্টটিতে এসেছেন ২০২৩ সালের বাংলাদেশের জমির খাজনা কত সে বিষয়টি জানার জন্য আপনারা অবশ্যই এ বিষয়টি আমাদের এই পোস্ট থেকে নিশ্চিত হতে পারবেন।

কারণ আজকে আপনারা আমাদের এই পোস্টটিতে যে জন্য এসেছেন অবশ্যই সেই বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে আমরা। তবে আপনাদেরকে আরেকটি কথা বলে রাখি সেটি হল জমিজমা সংক্রান্ত অন্যান্য বিষয়গুলি সম্পর্কে আপনারা যদি জানতে চান তাহলে অবশ্যই আমাদের ওয়েবসাইটটি ভিজিট করবেন। কারণ আমাদের ওয়েবসাইটটিতে ভূমি বিষয়ক সকল ধরনের প্রশ্ন প্রশ্নের উত্তর তথ্য সহ সঠিকভাবে প্রদর্শন করা হয়েছে।

তাই আপনারা যে বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চান সেই বিষয় সম্পর্কে অবশ্যই আমাদের ওয়েবসাইট থেকে ভালোভাবে অবগত হতে পারবেন।সে কারণে আপনারা যদি আমাদের ওয়েবসাইটটি ভিজিট করে আমাদের সঙ্গে থাকেন তাহলে অবশ্যই জমিজমা সংক্রান্ত সকল বিষয়গুলোর সম্পর্কে আপনি অবশ্যই জ্ঞান অর্জন করতে পারবেন। কারণ হলো বর্তমান ডিজিটাল বাংলাদেশ বাংলাদেশের সকল কাজকর্ম গুলি এখন অনলাইনে করা সম্ভব হয়।

বর্তমানে যে দেশপ্রযুক্তিগতভাবে যত উন্নত সেই দেশকে তত শক্তিশালী এবং উন্নত বলে ধরে নেওয়া হয়। তারই প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ ও প্রযুক্তিগত দিক থেকে উন্নতির সাধন করার নিমিত্তে বাংলাদেশকে বাংলাদেশ সরকার স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে এগিয়ে চলেছে। তাই স্মার্ট বাংলাদেশের নাগরিকগণ স্মার্ট না হলে দেশকে স্মার্ট বানানো কখনোই সম্ভব নয়। তাই আপনাদেরকে প্রযুক্তিগত দিক থেকে যথাযথভাবে সাহায্য করার নিমিত্তে আমরা আমাদের পোস্টগুলোতে বা আমাদের ওয়েবসাইটে বিভিন্ন নিবন্ধ আপনাদের জন্য তৈরি করা হয়েছে। যাতে করে আপনারা সেই বিষয়গুলি দেখে অনলাইনে কিভাবে আবেদন করবেন এবং সেই তথ্যগুলি যাচাই করবেন সে সম্পর্কে ভালোভাবে আলোকপাত করা হয়েছে।

তাহলে আমরা আর দেরি না করে এখন আজকের বিষয়টি অর্থাৎ ২০২৩ সালের জমির খাজনা কত সে সম্পর্কে অবগত হওয়ার চেষ্টা করি। জমির খাজনা ক্ষুদ্রাংশে সরকার প্রকাশ করে থাকে। অর্থাৎ প্রতি শতক জমির খাজনা জমির শ্রেণী অনুযায়ী প্রকাশ করা হয়েছে। সে অনুযায়ী আমরা যদি প্রতি শতক জমির খাজনা কত সে সম্পর্কে অবগত হলেই আমার জমির মত খাজনার পরিমাণ কত হবে সেই হিসাবটি আমরা করে নিতে পারব।

তাই এখন আপনাদেরকে শ্রেণী অনুযায়ী জমির প্রতি শতকের খাজনা 2022 সালে কত নির্ধারণ করা হয়েছে সে সম্পর্কে আপনাদেরকে অবগত করা নয় এখন আমাদের লক্ষ্য। তাহলে চলুন দেখি ২০২৩ সালে জমির খাজনা কত আপনাকে পরিশোধ করতে হবে। বাংলা ১৩৯৪ সন অর্থাৎ ১৯৮৭ সাল থেকে বাংলা ১৪০১ সন এবং ইংরেজি ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত তুই একর জমির জন্য প্রতি শতাংশ ৩০ পয়সা হিসেবে সব মিলিয়ে এক টাকার কম নয়। অর্থাৎ দুই একর থেকে পাঁচ একর পর্যন্ত জমির জন্য খাজনা নির্ধারণ করা হয়েছে ৩০ পয়সা প্রতি শতাংশ।

আবার পাঁচ একর থেকে ১০ একর জমি পর্যন্ত ৫০ পয়সা প্রতি শতাংশ হিসেবে জমির খাজনা নির্ধারণ করা হয়। ১০ একরে জমি হলে শতাংশ প্রতি দুই টাকা হিসেবে জমিন খাজনা পরিশোধ করতে হবে। এছাড়া বাংলা ১৩৯৮ সালের পহেলা বৈশাখ তারিখ হতে ২৫ বিঘা অর্থাৎ 8.25 একর পর্যন্ত কৃষি জমির খাজনা মওকুফ করেছে সরকার। বা কর প্রত্যাহার করেছে বাংলাদেশ সরকার।