জমির পর্চা ডাউনলোড ২০২৩

বর্তমান বাংলাদেশ ডিজিটাল বাংলাদেশ। ২০১৮ সালের ক্ষমতা আসার পূর্বে সরকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল বাংলাদেশকে ডিজিটাল বাংলাদেশ বানানোর। সরকার তার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেছে। বর্তমানে বাংলাদেশের অনেক সরকারি সেবা সমূহ এবং বেসরকারি সেবা সমূহ অনলাইনে প্রদান করা হয়ে থাকে। অর্থাৎ আপনাকে ব্যাংক বীমা বিভিন্ন অফিস আদালতের বিষয়গুলি জানার জন্য এখন আপনাকে আর সেই অফিসে গিয়ে ধর্না দিতে হয় না। তাদের ওয়েবসাইটে ঢুকে আপনি সকল কিছু দেখে নিতে পারেন।

তাই বলা হচ্ছে যে বাংলাদেশ এখন সকল কর্মকান্ড অর্থাৎ অধিকাংশ কর্মকাণ্ডই অনলাইন এর মাধ্যমে ঘরে বসে চালিয়ে নেওয়া যায়। অর্থাৎ সকল কিছু অফিসের কাজকর্ম গুলি আমাদেরকে এখন আর ওই অফিসে গিয়ে সম্পাদন করতে হয় এমন নয় আমরা ঘরে বসে বা বাড়িতে থেকেই নিজের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনের সাহায্যে ইন্টারনেট সংযোগে সেই কাজগুলি অনায়াসেই করে ফেলতে পারি। তাই বলা যায় যে ভূমি অফিসের সকল কর্মকান্ড বা সব কাজগুলি করতে আমাদের ভূমি অফিসের দরজায় যেতে হয় না।

বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের অর্থাৎ প্রায় প্রতিটি মানুষের জমি জমা রয়েছে। আর জমিজমা সংক্রান্ত কাজগুলি করতে তাদেরকে অবশ্যই ভূমি অফিসে দৌড়াদৌড়ি করতে হতো। কিন্তু গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ভূমি মন্ত্রণালয় ডিজিটাল হওয়ার প্রেক্ষিতে এখন আর আমাদেরকে ভূমি অফিসে গিয়ে সেই সকল কাজ গুলি করতে হয় না। বাড়িতে বসে নিজের মোবাইল সংযোগে বা নিজের মোবাইল ফোনের ইন্টারনেট সংযোগের মাধ্যমে এখান থেকেই করে নেওয়া সম্ভব।

তাই আজকে আপনারা যারা আমাদের এই পোস্টটিতে এসেছেন কিভাবে খতিয়ান ডাউনলোড করবেন এ বিষয়টি সম্পর্কে আজকে আপনারা অবশ্যই জেনে যাবেন আমাদের এখান থেকে। কারন আপনাদেরকে অবশ্যই আমাদের এখান থেকে আজকে জানিয়ে দেওয়া হবে কিভাবে অনলাইনে খতিয়ান দেখে সেটি ডাউনলোড করে নিতে পারেন। তবে আপনারা জমিজমা সংক্রান্ত অন্যান্য বিষয়গুলি দেখার জন্য অবশ্যই আমাদের ওয়েবসাইটটি ভিজিট করবেন। কারণ আমরা আমাদের ওয়েবসাইটটিতে জমিজমা সংক্রান্ত সকল বিষয় গুলি অত্যন্ত যত্নের সহিত সাবলীল ভাষায় দেওয়া রয়েছে।

তাই আপনারা দেখামাত্র সেই সকল তথ্য সম্পর্কে অবগত হতে পারবেন বলে আশা রাখি। চলুন তাহলে আমরা আর দেরি না করে আপনি কিভাবে আপনার খতিয়ান অনলাইন থেকে ডাউনলোড করে নিতে পারবেন সে সম্পর্কে আলোকপাত করা যাক। প্রথমে আপনাকে অবশ্যই আপনার খতিয়ান বের করতে হবে তারপরে সেই খতিয়ান ডাউনলোড করতে পারবেন।

খতিয়ান দেখতে বা যাচাই করতে হলে আপনাকে প্রথমে বাংলাদেশ ভূমি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে যেতে হবে। বাংলাদেশ ভূমি মন্ত্রণালয়ের একাধিক ওয়েবসাইট রয়েছে। সকল ওয়েবসাইটের কোন একটিতে আপনাকে প্রবেশ করতে হবে। তবে আমরা আপনাদেরকে এখন ভূমি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটের লিংক দিয়ে দেব। সে লিংকে আপনারা প্রবেশ করে জমির খতিয়ান প্রথমে যাচাই করে নিতে হবে। অর্থাৎ আপনারা প্রথমে এই লিংকে প্রবেশ করবেন https://eporcha.gov.bd/khatian তারপর সেখানে বিভিন্ন অপশন থাকবে। আপনাকে প্রথমে দুইটি অপশন দেখাবে একটি আবেদন করুন অন্য অপশনটি আপনার আবেদন ট্রাকিং করুন।

আপনি আবেদন করুন অপশনে ক্লিক করবেন। তারপর সেখানে আপনার নিজের বিভাগ চাইবে। আপনি আপনার বিভাগ সিলেক্ট করে ক্লিক করবেন। জাপান সেই বিভাগে অনেকগুলি জেলা প্রদর্শিত হবে তারপর আপনি আপনার নিজ জেলা সিলেক্ট করে ক্লিক করবেন। তখন নিজ জেলা থেকে নিজ উপজেলা সিলেক্ট করে ক্লিক করবেন। তারপর সেখান থেকে আপনি আপনার নিজ ইউনিয়ন সিলেক্ট করে ক্লিক করলে আপনাকে অপশন দেবে।

মৌজার নাম লিখুন, মৌজার নাম লিখলে সেখানে যে মৌজার নাম আপনি লিখেছেন অর্থাৎ যেখানে আপনার জমি রয়েছে সেই মজার নাম লিখার পর জমি মালিকের নাম তার স্বামী অথবা পিতার নাম স্থায়ী ঠিকানা জাতীয় পরিচয় পত্রের নম্বর সহ যাবতীয় তথ্যাদি আপনাকে পূরণ করতে হবে। এ সকল তথ্য পূরণ করার পর আপনি সেটি সেন্ড করবেন। তারপর আপনার সম্পূর্ণ তথ্য সঠিক হলে আপনার খতিয়ানটি আপনাকে প্রদর্শন করবে। তখন আপনি সেই প্রদর্শিত খতিয়ানটি ডাউনলোড অপশনে গিয়ে ডাউনলোড করে নেবেন। এবং ডাউনলোড করা হলে আপনি সেটি প্রিন্ট করে প্রিন্ট আউট করে নিতে পারেন।