জমি ভাড়ার চুক্তিপত্র Pdf

অনেক সময় আমরা নিজেরা সেই জমি বা কোন জমি চুষতে না পারলে সেই জমিটি অবশ্যই ভাড়া দেওয়া হয়ে থাকে। বা একটি চুক্তির মাধ্যমে অন্যকে সেই জমি চাষাবাদ করতে দেওয়া হয়। এছাড়াও কোন নির্দিষ্ট সময়ের জন্য জমি বিক্রি না করেও অন্যকে সেই জমি দখল করার জন্য চুক্তি করা হয়ে থাকে। আর এই যৌক্তিক করাকেই বলা হয় জমি ভাড়া দেওয়ার চুক্তি। দেখা যায় যে কোন ফলের বাগান দুই তিন পাঁচ অথবা 10 বছরের জন্য অন্য কারোর কাছে ভোগ দখল করার অধিকার প্রদান করা হয়।

কারণ অনেক সময় মানুষের টাকা পয়সার প্রয়োজন হয় হঠাৎ করেই। তখন অন্য কিছু সম্পদ বিক্রয় না করে যদি এ ধরনের সম্পদ অর্থাৎ জমি থেকে থাকে তখন সে জমিটি বিক্রি না করেও কিছু নির্দিষ্ট সময়ের জন্য অন্য কাউকে কল করার অধিকার দেওয়া হয় অর্থের বিনিময়ে। তখন আমরা সেই জমিটিকে ভাড়া দেওয়ার অর্থই বুঝে থাকে। সেই নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত যে ব্যক্তির কাছে ভাড়া দিব সেই ব্যক্তি সেই জমিতে জমির অস্তিত্ব বজায় রেখে বা জমির কোয়ালিটি ঠিক রেখে তিনি যে সকল বা সকল ধরনের কর্মকাণ্ড করতে পারবে।

তবে একটি শর্ত থাকে যে জমিকে যেভাবে ভাড়া দেওয়া হয়েছিল ফিরিয়ে নেওয়ার সময় তাকে অবশ্যই ওই অবস্থায় ফিরিয়ে দিতে হবে। এছাড়াও যদি নির্দিষ্ট কর্মকাণ্ড চালানোর জন্য জমির মালিক ওই ব্যক্তিকে অর্থাৎ ভাড়া দেওয়ার ব্যক্তিকে ভাড়া দিতে পারেন। যেমন বলা হতে পারে যে এই জমির উপর সে পুকুর কেটে দুই বছর পাঁচ বছর সেই পুকুর নিজে মাছ চাষ করবে তার বিনিময়ে কিছু টাকা জমির মালিককে প্রদান করা হবে। তখন সে বিষয়গুলি ঠিক থাকে। কিন্তু আপনি কোন জমি ফসল করার জন্য দুই বছরের জন্য ভাড়া নিয়ে সেই জমিতে কখনোই আপনি পুকুর কাটতে পারবেন না। এই অর্থেই বলা হয় যে জমির শ্রেণী ঠিক রাখতে হবে ভাড়া নেওয়া ব্যক্তিকে। জমি ভাড়া নিয়ে নির্দিষ্ট কাজ অর্থাৎ যে কাজের জন্য জমিটি ভাড়া দেওয়া হয়েছে সেই কাজটি সম্পন্ন করা যায় কিন্তু অন্যান্য কাজ জমির মালিকের অনুমতি ছাড়া কখনোই করা সম্ভব নয়।

আর এই জমি ভাড়া নেওয়ার জন্য আমাদেরকে অবশ্যই একটি যুক্তি নেওয়া তৈরি করতে হয়। এই চুক্তি নামায় অন্য বিভিন্ন গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে উভয় পক্ষের সম্মতিতে কত টাকার বিনিময়ে কত বছরের জন্য এবং কি কার্য সম্পাদন করার জন্য সেই জমি তাকে ভাড়া দেওয়া হচ্ছে এ সকল বিষয়বস্তু উল্লেখ করে চুক্তি সম্পাদন করা হয়ে থাকে। এই চুক্তিপত্রে অবশ্যই উভয়ের সম্মতিতে সম্পন্ন করতে হয়।

প্রথমে পরম করুণাময় সৃষ্টিকর্তার নামে শুরু করে যাবতীয় বিষয়াদ ি সেই চুক্তিপত্রে লিখে উভয় পক্ষের স্বাক্ষর গ্রহণ করা হয় এবং উভয় পক্ষের উপস্থিত সাক্ষী গণ সেখানে সই করবেন। তবে কথা থাকে যে এই চুক্তিপত্র করার জন্য অবশ্যই বাংলাদেশ আইন অনুযায়ী ৩০০ টাকার নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে অফার চুক্তিনামাটি তৈরি করলে সেটির মূল্যবান ঠিক থাকে। তাই জমি ভাড়া নেওয়ার জন্য অবশ্যই ৩০০ টাকার নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে জমি ভাড়া চুক্তিপত্র লিখিত হতে হবে। চুক্তিপত্রে দুইটি পক্ষ থাকবে একটি প্রথম পক্ষ যিনি ভাড়া দিবেন এবং অপরটি ভাড়া নেওয়ার পক্ষ দ্বিতীয় পক্ষ। উভয়পক্ষে নাম স্বামী অথবা পিতার নাম বয়স এনআইডি নম্বর ছবি স্থায়ী ঠিকানা বর্তমান ঠিকানা উল্লেখসহ সকল কিছুই উল্লেখ থাকতে হবে।

এভাবে চুক্তিপত্র করে উভয়ের সম্মতিতে সেটি পড়ে শুনিয়ে যদি ঠিক থাকে তাহলে উপস্থিত সকলের স্বাক্ষর গ্রহণ করা হয়। এবং এই কাজটি করা হয় দুজনার সাথে অবশ্যই সুসম্পর্ক বজায় রাখার জন্য। কারন আমরা একটা কথা সবাই জানি যে বেঁচে থাকলে মানুষ বদলাবে। তাই সকলের নিরাপত্তার স্বার্থে এই চুক্তিপত্রটি সম্পাদন করা হয় যাতে করে উভয়ের মুখের কথা না শুনে চুক্তিপত্র দেখলে মানুষ সেটি বুঝে নিতে পারবে আসল বিষয়টি কি ছিল।