ভূমি মন্ত্রণালয় নতুন আইন

প্রাচীন কাল থেকে ভূমি আইন রয়েছে। অর্থাৎ ভূমিকে শাসন করার জন্য প্রাচীনকাল থেকেই আইনের প্রয়োগ রয়েছে। এবং সময়ের প্রয়োজনে বারবার এই আইন সংস্কার করা হয়েছে। কখনো কোন আইন সংযোজন এবং কখনো কোন আইন সংস্কার করে এ পর্যন্ত চলে আসছে। ভূমি আইন ব্রিটিশরা করেছেন তারপর ব্রিটিশদের আইন পাকিস্তান আমলে সেটি অনেক

আইন সংস্কার করা হয়েছে এবং অনেক আইন এখনো বলব রয়েছে পরবর্তীতে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর বাংলাদেশেও সেই কিছু কিছু ব্রিটিশ আইন রয়ে গেছে এবং পরবর্তীতে অনেক আইন সংস্কার করা হয়েছে এবং কিছু কিছু আইন এখনো বলবৎ রয়েছে। তাই ভূমি শাসনের প্রয়োজনে জনগণের সুবিধার্থে যখন যে আইন করার প্রয়োজন বা যখন যে আইন সংস্কার করার প্রয়োজন তখন সেই আইন সংস্কার করেছে এবং নতুন আইন তৈরি করেছে। বর্তমান ভূমি মন্ত্রণালয় অবশ্যই জনগণ বান্ধব একটি মন্ত্রণালয়।

কারণ তারা জনগণের সুবিধা অসুবিধা দিক নজর রেখে ভূমি আইন সংস্কার করেছেন ২০২২ সালে। এবং নতুন আইনের খসড়া প্রদান করেছেন তারা। এক সময় আইন ছিল অর্থাৎ পূর্ববর্তীতে আইন ছিল কোন সম্পদ যদি কারো কাছে ১২ বছর পর্যন্ত দখলে থাকে তাহলে দখলেই আইন অনুসারে সম্পদ তার বলে দাবি করতে পারত।

অর্থাৎ যেকোনো কারণেই হোক কোন সম্পদ কারো কাছে যদি ১২ বছরের ওপর সে ভোগ দখল করতে পারতো তাহলে সেই আইন বলে অর্থাৎ পূর্বের সেই আইন বলে সম্পত্তি তার বলে দাবি করার আইন ছিল। এ ধরনের আইনে জনগণের দুর্ভোগের সীমা ছিল না। কারণ যে কোন কারনেই হোক মানুষের সম্পত্তি মানুষের কাছে বা অন্যের কাছে ১২ বছরের ওপর রয়ে যেতেই পারে। কিন্তু তার প্রেক্ষিতে সম্পত্তি টি তার বলে দাবি করা অবশ্যই এটি অনুচিত। এ সকল বিষয় নিয়ে দেখা গিয়েছে অনেক মামলা মোকদ্দমা রয়েছে। গ্রামীণ শালীর বৈঠক এবং থানাতেও সালিশ বৈঠক হয়েছে।

তারাও সে সকল সালিশ বৈঠকে মীমাংসা করতে না পারার কারণে মানুষ মামলা পর্যন্ত করেছে এবং সেটি আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে। তাই এতে দেখা যায় যে দুই পক্ষেরই সময় এবং অর্থের অপচয় হয়েছে। এসব কথা বিবেচনা করে বর্তমান সরকার এই আইনটি সংস্কার করার উদ্যোগ নেয়। এবং তারা ২০২২ সালে এই নতুন আইনের খসড়া প্রদান করে থাকেন। ভূমি সংস্কার আইন ২০২২ নামে এটি অভিভূত হয়। এবং এখানে উল্লেখ করা হয় যে দলিল যার জমি তার।

অর্থাৎ যে যতদিনই কোন সম্পত্তি হোক দখল করুক না কেন দলিল যার নামে থাকবে সম্পত্তি তারিখ বলে বিবেচনা করা হবে। তাই এই আইনটি যদি অর্থাৎ এই খসড়া আইনটি যদি আইন রূপে পাস হয় তাহলে বাংলাদেশের অনেকের দুঃখ দুর্দশা লাক্স হয় বলে মনে করা হচ্ছে। তাই বাংলার জনগণ মনে করছে ভূমি সংস্কার আইন ২০২২ খাসরাটি যত তাড়াতাড়ি পারে ভূমি মন্ত্রণালয় যেন এই আইনের অনুমোদন দিয়ে দেন।

তাতে মানুষের সম্পর্ক ঠিক থাকবে এবং একে অন্যের সহি ঝগড়া-বিবাদে এবং মামলা মোকদ্দমায় জড়িয়ে পড়বে না। সবথেকে বিবেচনা করে দেখা যায় যে এই আইনটি যদি অর্থাৎ এই খসড়া আইনটি যদি আইনে রূপান্তর হয় তাহলে সকল জনগণের জন্য ভালো হয় বলে মনে করা হচ্ছে। তাই ভূমি সংস্কার আইন ২০২২ বলে কোন ব্যক্তি আর 12 বছরের পর যে কোন সম্পদ ভোগ দখলে রাখলেও তারা সেই সম্পত্তির দাবিদার হতে পারবে না।

আপনারা জমিজমা সংক্রান্ত এ ধরনের যাবতীয় বিষয় সম্পর্কে জানতে অবশ্যই আমাদের ওয়েবসাইটটি ভিজিট করবেন বলে আশা রাখি। এ ধরনের সকল তথ্যগুলি পাওয়ার জন্য আপনারা যদি আমাদের ওয়েবসাইটটি ভিজিট করেন তাহলে আপনারা ভূমি আইন বা ভূমি সম্পর্কিত যে ধরনের তথ্য আপনার প্রয়োজন সকল তথ্যগুলি আমাদের ওয়েবসাইট থেকে পাবেন বলে আশা রাখা যায়।